বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর নিন্দা ও প্রতিবাদ


আজ একটি মিথ্যা মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারির ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “মহাজোট সরকার কোন সমালোচনা, বিরোধীতা, প্রতিবাদ সহ্য করতে পারে না। সে কারনে তারা দেশে কোন বিরোধী দল রাখতে চায় না। দেশের ব্যাপক জনপ্রিয় নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে প্রধান প্রতিপক্ষ মনে করে বলেই তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক হয়রানীমূলক মামলা দিয়ে বিপর্যস্ত করার ব্যর্থ চেষ্টায় লিপ্ত সরকার। এজন্যই সরকার চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে আদালতকে ব্যবহার করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করিয়েছে। বর্তমান আওয়ামী সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার জন্যই ভয়াবহ দু:শাসন চালিয়ে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোকে দমন করার নীতি জারি রেখেছে। ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং বিরোধী দলগুলোকে উৎখাত করতে পারলেই দেশের মানুষ ভয় পেয়ে যাবে বলে বর্তমান সরকার বিশ্বাস করে। আর সেজন্যই দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি-কে কোণঠাসা করার জন্য জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রতীক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বিপর্যস্ত করতে রাষ্ট্রযন্ত্রকে নগ্নভাবে ব্যবহার করছে সরকার। বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারির ঘটনা আক্রোশমূলক ও গভীর ষড়যন্ত্রমূলক। সর্বোচ্চ আদালতের রায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ আওয়ামী নেতা ও মন্ত্রীদের ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য এবং ইদানিং প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে মঞ্চায়িত নাটকের নির্লজ্জ ও নজীরবিহীন ঘটনা গোটা জাতিকে বাকরুদ্ধ ও হতবাক করে দিয়েছে। আর এভাবে একের পর এক রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক প্রথা-প্রতিষ্ঠানকে সমূলে উৎপাটিত করার জন্য আওয়ামী সরকার এক আগ্রাসীরুপে আবির্ভূত হয়েছে। রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক স্তম্ভগুলোকে ধ্বংস করে বহুদলীয় গণতন্ত্রের অপরিহার্য শর্ত বিরোধী দলগুলোকে বিনাশ করার ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই বিএনপি চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে দায়ের করা অসংখ্য মামলার মধ্যে আজকে একটি মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আমি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানা জারির ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে তাঁর মিথ্যা মামলা ও গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রত্যাহারের জোর দাবি করছি।” বার্তা প্রেরক (মুহম্মদ মুনির হোসেন) সহ-দফতর সম্পাদক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি