বিজয় না হওয়া পর্যন্ত দেশনেত্রীর নির্দেশ পালন করুন, জয় অবশ্যম্ভাবী : তারেক রহমান


বিজয় না হওয়া পর্যন্ত শুধুমাত্র একজন নেত্রী; দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশ পালন করুন। ইনশাল্লাহ আমাদের জয় অবশ্যম্ভাবী। মানুষের অধিকার শীঘ্রই প্রতিষ্ঠিত হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমান। ৭ নভেম্বর মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে লন্ডন বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। বক্তব্যের শুরুতেই সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আমরা সংহতি প্রকাশ করি বলেই আজকে এখানে সমবেত হয়েছি। ১৯৭১ সালের পর ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ২য় বার এদেশের মানুষ বেতারে শুনেছিল ‘আমি মেজর জিয়া বলছি’। এ উক্তি শক্তি যুগিয়েছিল তাদের যারা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ চেয়েছিল। ১৯৭১ এর পর ১৯৭৫ সালে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রত্যাশী মানুষগুলো সেদিন জিয়াউর রহমানের পিছনে এসে দাঁড়ায়। ১৯৭১-এ শেখ মুজিবের ৭ মার্চের ভাষণে মানুষ স্বাধীনতার ঘোষণা না পেয়ে সেদিন মানুষ হতাশ হয়ে গিয়েছিল এবং সেই হতাশার বিপরীতে ১৯৭১-এ সেদিন জিয়াউর রহমানই স্বাধীনতা ঘোষণা প্রদান করে এবং দেশের দ্বায়িত্ব গ্রহণ করেন’। তিনি বলেন, ‘৭ নভেম্বর ঘটেছিল শেখ মুজিব এবং আওয়ামী লীগের ব্যর্থতার জন্য। ১৫-ই আগস্ট ১৯৭৫ এর পর ২রা নভেম্বর থেকে ৫ই নভেম্বর পর্যন্ত সময়টা ছিল আওয়ামী লীগের বিবাদমান গ্রুপ এবং জাসদের মধ্যকার যুদ্ধাবস্থা। যার খেসারত দিতে হয় বহু সৈনিক এবং সাধারন মানুষকে। ২রা নভেম্বর খালেদা মোশারফ জিয়াউর রহমানকে বন্দি করে নিজেকে অবৈধভাবে সেনাপ্রধান ঘোষণা করেন। খালেদ মোশারফ গং এর পিছনে আওয়ামী লীগের ব্যাকআপ ছিল। তাদের সাথে অনৈতিক অবস্থা এবং গণ্ডগোল চলছিল জাসদের। আজকে দেখি আওয়ামী লীগ এবং জাসদ এক প্লাটফর্মে এসে দাঁড়িয়েছে। আসলে এই রাজনৈতিক দল দুটির কোন চরিত্র নেই। ক্ষমতার জন্য এরা সবকিছু বিসর্জন দিতে পারে’। দেশনায়ক বলেন, ‘১৯৭৫ এর সেই অপশক্তি এখনো থেমে নেই। জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপিকে খাটো করার চেষ্টায় তারা লিপ্ত। কিন্তু ইতিহাসের গতিরোধ করা সম্ভব নয়। কিছুদিনের জন্য হয়তো মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাবে কিন্তু দীর্ঘ সময় রাখা যাবেনা। আজকে ক্ষমতায় দখলদার আওয়ামী লীগকে শেখ মুজিবের স্বীকৃতির জন্য আদালতের আশ্রয় নিতে হয়েছে। অন্যদিকে, শেখ মুজিব বা আওয়ামী লীগের সমালোচনা করলে হয় পত্রিকা বন্ধ হয়ে যায়; না হয় পত্রিকার সম্পাদককে গ্রেফতার করা হয়। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে কেউ তার স্বাধীন মত প্রকাশ করলে তাকে গ্রেফতারসহ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়। আর এখানেই জিয়াউর রহমান এবং শেখ মুজিবের পার্থক্য এবং বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের পার্থক্য। কারণ, জিয়াউর রহমানের স্বীকৃতির জন্য বিএনপিকে কখনো আদালতে যেতে হয়নি। জিয়াউর রহমান কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন তার কর্ম ও আদর্শের মাধ্যমে। জিয়াউর রহমানের আদর্শ বহন করে চলছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এজন্য এত ভয় ভীতি প্রদর্শন এবং গ্রেফতারী পরোয়ানা জারির পরও দেশে ফিরেছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এবং তাকে স্বাগত জানাতে লক্ষ লক্ষ মানুষ বিমান বন্দরে উপস্থিত হয়েছে সেদিন। এছাড়াও বিএনপি চেয়ারপার্সনের কক্সবাজার সফরের দীর্ঘ পথে লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতিটি ইঞ্চি ইঞ্চি জায়গায় দাঁড়িয়ে তাদের নেত্রীকে বরণ করেন। এই সব কিছু প্রমাণ করে বিএনপি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল এবং বেগম খালেদা জিয়া দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী। তিনি বলেন, অন্যদিকে আওয়ামী লীগের এক অন্যতম শীর্ষ নেতা বলেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন কেন প্লেনে কক্সবাজার গেলেন না। তারা (আওয়ামী লীগ) জনসমর্থনহীন এবং তারা জানে তারা সড়ক পথে গেলে মানুষ তাদের দিকে পিছন ঘুরে দাঁড়াবে! দেশনায়ক বলে, শেখ মুজিবকে কিভাবে প্রতিষ্ঠা করা যায় তা আওয়ামী লীগের অনেক পুরানো কাজ এবং তিনি ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়েই তা করেছিলেন। ১৯৭৩ সালের ‘দৈনিক বাংলা’ পত্রিকার একটি সোর্স থেকে তিনি দেখান, সেই সময় থেকেই বলা হয়েছে যেসব পত্রিকায় শেখ মুজিবকে জাতির জনক না লিখবে তাদের পত্রিকার অস্তিত্ব বিলুপ্ত করা হবে। এছাড়াও ঐই সময় ন্যাপ-মোজাফফরকে শেখ মুজিব সম্পর্কে সমালোচনা করে কথা বলায় প্রকাশ্যে ক্ষমা ভিক্ষা করতে বলা হয়’। সুষ্ঠ ও স্বাভাবিক নির্বাচন হলে প্রতিবার বিএনপি ক্ষমতায় আসে মন্তব্য করে তিনি দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে বলেন, আওয়ামী লীগ প্রতিবারই চুরি এবং ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে। তিনি বিভিন্ন সময় অনুষ্ঠিত নির্বাচন সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেন, ১৯৭৩ সালের ৭ই মার্চ অনুষ্ঠিত ১ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে ১৪টি রাজনৈতিক দলের ১০৮৯ প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। স্বতন্ত্র ছিল ৮৯ জন। এই নির্বাচন আওয়ামী লীগ ২৯৩ আসন নিয়ে নিজেদের বিজয়ী বলে ঘোষণা করেন। যা ঠিক ২০১৪ সালের ১৫৩ আসনে বিনা ভোটে নির্বাচিত হওয়ার মত। এসব কিছু করা হয় শেখ মুজিবের প্রশ্রয়ে। ঐ সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রকাশিত বিভিন্ন পত্রিকার রেফারেন্স দিয়ে তিনি তা প্রমাণ করেন’। কিছুদিন আগে শেখ হাসিনার অধীনে ভোট শুরুর আগেই শতভাগ ভোট মারার রেকর্ড হয় এবং ১৯৭৩ সালের নির্বাচনেও তাই ঘটেছিল’। এ সময় নির্বাচন পরবর্তী সময় ন্যাপ- মোজাফফর এবং জাসদের নির্বাচন পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় সংবাদ সম্মেলনে প্রদত্ত বক্তব্য তিনি উপস্থাপন করেন। উক্ত সংবাদ সম্মলনে সবাই শেখ মুজিবকে ভোট চুরির দায়ে দায়ী করেন। তিনি বলেন, ১৯৯১ সালের নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম গ্রহণযোগ্য নির্বাচন যাতে বিএনপি জয়লাভ করে। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা সেনাবাহিনীতে এবং আমলাদের মধ্যে জনতার মঞ্চ বানিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করে। এতে করে আমলাদের ভয় ভীতি প্রদর্শন করে ভোট করে ক্ষমতা দখল করে। ২০০১ সালে লতিফুর রহমান সাহেব নিরপেক্ষ ভোটের ব্যবস্থা করেন এবং সেখানে বিএনপি ক্ষমতায় আসে। ২০০৭ সালের নির্বাচনের আগে থেকেই শুরু হয় ষড়যন্ত্র, সন্ত্রাস এবং তান্ডব। যার ফলে ১/১১ আসে। শেখ হাসিনা পরে ১/১১ তাদের আন্দলনের ফসল বলে বক্তব্য রাখেন। এই ১/১১ দীর্ঘ হয়ে ২০০৮ সালের শেষের দিকের নির্বাচনে অনেক কেন্দ্রে ১০০% এর অধিক ভোট কাস্ট হয়। লক্ষ লক্ষ ভোটার ভোট দিতে পারেনি। এই নির্বাচন এর বিষয়ে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মূখার্জি সাম্প্রতি তার লেখা বইয়ে ২০০৮ সালের নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় নিয়ে আসা, সেনা প্রধান মঈন ইউ আহমেদ এর চাকরির নিশ্চয়তা এবং সেফ এক্সিটের বিষয় তিনি মধ্যস্থতা করেন বলে জানান। কাজেই এটা ছিল ষড়যন্ত্রের নির্বাচন। এবং এই বিষয়টি জাতীর জন্য লজ্জারও বটে। আর ২০১৪ সালের নির্বাচন নিয়ে কিছু বলে লাভ নেই। সারা বিশ্ব এ বিষয়ে জানে’। তিনি বলেন, ‘উপরের চারটি নির্বাচন প্রমাণ করে আওয়ামী লীগ কখোন বৈধভাবে ক্ষমতায় আসতে পারেন। স্বচ্ছ ভোট হলে প্রতিবার বিএনপি ক্ষমতায় আসে’। দেশনায়ক বলেন, আওয়ামী লীগ যেহেতু ষড়যন্ত্রে বিশ্বাস করে তাই তাদের শক্তি দেশের ভিতরে নয়, সীমান্তের বাইরে। সেজন্য দেশের মানুষ এবং দেশের প্রতি আস্থা নেই। তাই ২০০০ সালে আদালত তাকে ‘রং হেডেড’ বলে রায় দেয়। আর ২০১৭ সালে হাসিনা আদালত থেকে ‘অবৈধ হাসিনা’ বলে ঘোষিত হয়’। তিনি বলেন, ‘দেশে এখন ৩১ লক্ষ মামলা। বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী মামলায় জরজরিত। মামলা রয়েছে বিএনপি চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে। শেখ হাসিনার ইন্টারেস্ট কেবল বেগম খালেদা জিয়ার মামলা নিয়ে। বিএনপি চেয়ারপার্সন আদালতের প্রতি সম্মান দেখিয়ে আদালতে যাচ্ছেন। হাজিরা দিচ্ছেন। এখন আদালতের কর্তব্য হচ্ছে নিজের সম্মান নিজে রক্ষা করা। মানুষ দেখতে চায় উচ্চ এবং নিম্ন আদালত হাসিনার ভয়ে কম্পমান নয়’। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, আগামী নির্বাচন সুষ্ঠ হলে বিএনপি জয়লাভ করবে। অবৈধ হাসিনার সময়ে নির্বাচন কমিশন তাদের নিরপেক্ষতা প্রমাণের জন্য যেসব নির্বাচন করেছে সেখানেই বিএনপি জয়লাভ করেছে। কিছুদিন আগে আওয়ামী লীগের সাথে ওতোপ্রোত ভাবে জড়িত নির্বাচন কমিশনার স্বীকার করেছেন জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা করেন। তাহলে বহুদলীয় গণতন্ত্র ব্যবস্থা নষ্ট করেছে কে? প্রশ্ন রাখেন তিনি। দেশনায়ক তারেক রহমান নির্বাচন কমিশনকে বলেন, কথা না বলে আপনার নিরপেক্ষতার প্রমাণ দিন। এখন বহুদলীয় গণতন্ত্রের কথা বলে চিড়া ভিজাবেন না। পারলে কিছু করে দেখান। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ উন্নয়নের গল্প করে। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ঢাকা জেলার ঢাকা শহরের কথাই বলি। বাকি ৬৩ জেলা বাদ দেই। কিছুদিন আগে বৃষ্টি হলো আর ঢাকা ডুবে গেল। ঢাকায় নৌকা চললো। মানুষ প্রশ্ন করে, আওয়ামী লীগের এই ৮/৯ বছরের শাসনামলে ঢাকায় নৌকা চলে। আরো কিছুদিন থাকলে কি ঢাকায় স্ট্রিমার চলবে? মানুষ আরো বলে, ‘উন্নয়নের নমুনা, বৃষ্টি হলেই যমুনা’। এই হলো আপনাদের তথাকথিত উন্নয়ন। আমাদের সময় ভারী বর্ষণ হলে ঢাকায় পানি জমতো কিন্তু একটা নিদৃষ্ট সময় পর তা নেমে যেত। কিন্তু এখন ঢাকা পানির নিচেই চলে যায়। এই হলো আওয়ামী লীগের উন্নয়ন’। তিনি বলেন, কিছুদিন আগে জিএফআই প্রতিবেদন প্রকাশ করে যাতে বলা হয়, বাংলাদেশ থেকে ৬ লক্ষ কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এর রিজার্ভ চুরি, শেয়ার বাজার লুটের মত বহু ঘটনা ঘটেছে। আগামী কিছুদিন আওয়ামী লীগ আরো কিছু টাকা পাচার করবে। তারা বিদেশে বাড়ী নির্মাণ করবে এবং সম্পত্তি ক্রয় করবে। তাই, প্রবাসী ভাইয়ের আপনাদের নজর রাখতে হবে তাদের কোথায় কি আছে! সময় হলে তাদের ধরা হবে। তিনি বলেন, কিছুদিন আগে শেখ হাসিনা গল ব্লাডারের অপরেশনের নাম করে যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন। পরে জানা গেল তিনি কারো এক বিশাল বিলাস বহুল অট্টালিকায় ছিলেন। কার বাড়ী, কত মূল্যের বাড়ী তা পরে পত্রিকায় এসেছে। আর এ অর্থের মালিক আপনারা। আপনাদের অর্থ পাচার হচ্ছে। তাই আপনারা নজর রাখবেন। সাংবাদিকদের উদ্দ্যেশে তিনি বলেন, ভাল খারাপ সকল শ্রেণীর মধ্যেই আছে। কিছু কিছু সাংবাদিক আওয়ামী লীগের কাছ থেকে বাড়তি কিছু সুবিধার জন্য বিএনপি, বেগম জিয়া এবং জিয়াউর রহমানকে নিয়ে মিথ্যা লিখছে। তিনি এসব সাংবাদিকদের এসব লেখা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বিএনপি যেহেতু গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, জণগণের শক্তিতে বিশ্বাস করে সেজন্য মানুষের সমর্থন নিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করবে ইনশাল্লাহ। এজন্য নতুন সোয়া কোটি তরুণ ভোটারদের তিনি এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তাদের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য। এবং তিনি তাদের ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সামনে আমরা সিদ্ধান্ত নিবো কি করবো সে বিষয়ে। আওয়ামী লীগ যেহেতু খুন-খারাবি আর ষড়যন্ত্রের বিশ্বাস করে তাই তারা বসে থাকবে না। তারা ৮/৯ বছরে লুন্ঠিত সম্পদ রক্ষায় বসে থাকবে না। কিন্তু বিএনপি জনগনকে সাথে নিয়ে তাদের হারিয়ে যাওয়ায় গণতন্ত্র এবং ভোটাধিকার, সার্বভৌমত্ব, বাকস্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে কাজ করবে। কাজেই তারা বসে থাকবে না। তারা বিভ্রান্তি ছড়াবে। এতে কান দেয়া যাবেনা। যে কোন অবস্থায় ঐক্য বজায় রাখতে হবে। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সবাইকে আহ্বান করে বলেন, ‘বিজয় না হওয়া পর্যন্ত শুধুমাত্র একনেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশ পালন করুন। ইনশাল্লাহ আমাদের জয় অবশ্যম্ভাবী। মানুষের অধিকার শীঘ্রই প্রতিষ্ঠিত হবে।