জিয়া অরফানেজ একটি প্রাইভেট ট্রাস্ট। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতি রক্ষার্থে এ টাকা পাঠানো হয়েছে: কুয়েতের আমির


যে একাউন্ট এ টাকাটা এসেছে তা খোলা হয়েছিল ২ জানুয়ারি ১৯৯৯ সালে। টাকা এসেছে ৯ জুন ১৯৯৯। তাহলে কিভাবে ১৩ নভেম্বর ১৯৯৩ সালে দুই ফান্ডটাকে কি করে ভাগ করা হলো?: মোহাম্মদ আলী মোহাম্মদ আলী বলেন, মামলায় মূল নথি ছিল না, তারা একটি অতিরিক্ত নথি সৃষ্টি করেছে! যে একাউন্ট এ টাকাটা এসেছে তা খোলা হয়েছিল ২ জানুয়ারি ১৯৯৯ সালে। টাকা এসেছে ৯ জুন ১৯৯৯। তাহলে কিভাবে ১৩ নভেম্বর ১৯৯৩ সালে দুই ফান্ডটাকে কি করে ভাগ করা হলো? জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানিতে বৃহস্পতিবার পুরানো ঢাকার বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসায় স্থাপিত বিশেষ আদালত-৫ এ যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী এসব কথা বলেন। তিনি আদালতকে বলেন, তিনি ঢাকায় অবস্থিত কুয়েত অ্যাম্বেসির মাধ্যমে এ ট্রাস্টে পাঠানো টাকার ব্যাপারে কুয়েতের আমিরের বক্তব্য জানতে চেয়েছিলেন। তারাও এর জবাব দিয়েছেন। কুয়েতের আমির জানিয়েছেন, এ অর্থ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে পাঠানো হয়েছে। এটি একটি প্রাইভেট ট্রাস্ট। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতি রক্ষার্থে এ টাকা পাঠানো হয়েছে। এ সময় আদালত এ বক্তব্যের ডকুমেন্ট চাইলে খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাম্বেসি থেকে পাঠানো চিঠি আদালতে উপস্থাপন করেন। মোহাম্মদ আলী আদালতকে বলেন, ৭ জন সাক্ষী ও তদন্ত কর্মকর্তা মিলে জাল নথি তৈরি করে বেগম খালেদা জিয়াকে ফাঁসাতে তার বিরুদ্ধে এ মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়া ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সময় করা ডকুমেন্টে বেগম খালেদা জিয়ার কোনো স্বাক্ষর বা অনুমোদন নেই। এর আগে গতকাল বুধবারও এজে মোহাম্মদ আলী যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। তিনি বলেছিলেন, জাল ডকুমেন্ট তৈরি করে এ মামলা সাজানো হয়েছে। ডকুমেন্ট ঘষামাজা করে তৈরি করা হয়েছে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপন ১০ ও ১১ই জানুয়ারি। আজ বৃহস্পতিবার ৭ম দিনের মতো যুক্তি উপস্থাপন শেষে পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের জন্য আদালত এ দিন ধার্য করেন। এর আগে বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসায় স্থাপিত বিশেষ আদালত-৫ এ পৌঁছান খালেদা জিয়া। এরপর ১১টা ৪২ মিনিটে ওই আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়। এর আগে বেলা ১১টায় গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’ থেকে আদালতের উদ্দেশে খালেদা জিয়া রওনা হন । খালেদা জিয়ার হাজিরা ঘিরে আজও আদালত ও এর আশপাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া আদালতের প্রধান ফটকে স্ক্যানার বসিয়ে তল্লাশি করে ভেতরে ঢোকানো হয়।